ফনেটিক ইউনিজয়
জমজমাট সুপারির হাট
ইমন চৌধুরী, পিরোজপুর

দক্ষিণের উপকূলীয় অঞ্চল পিরোজপুরের উৎপাদন সফলের মধ্যে অন্যতম ফল সুপারি। জেলাজুড়ে ছোট-বড় মিলিয়ে বর্তমানে প্রায় পাঁচ হাজার ৩৫৫ হেক্টর জমিতে সুপারি বাগান রয়েছে। একদিকে স্থানীয় বাজারে সুপারির চাহিদা ও দাম ভালো থাকায় সুপারি চাষে আগ্রহও বাড়ছে কৃষকদের।
সরেজমিন জানা যায়, সুপারি গাছ একবার রোপণ করলে তেমন কোনো পরিচর্যা ছাড়াই টানা ২৫-৩০ বছর ফলন দেয়। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং আধুনিক পদ্ধতি অবলম্বন করায় দিন দিন এ অঞ্চলে সুপারি উৎপাদনও বৃদ্ধি পাচ্ছে। উৎপাদন খরচ কম হওয়ায় অন্যান্য ফসলের তুলনায় অধিক লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা। সুপারি বাগানে পোকা-মাকড়ের আক্রমণ কিংবা রোগ-বালাই কম থাকায় এ অঞ্চলের কৃষকরা সুপারি চাষের দিকে বেশি ঝুঁকছেন।
মৌসুমের শুরুতেই পিরোজপুর সদর উপজেলার দুর্গাপুর ও টোনা ইউনিয়নের চলিশা বাজার হাট, কাউখালীর সদর বাজার, হোগলা বেতকা বাজার, নাজিরপুর শেখমাটিয়ার বাবুরহাটসহ জেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে সুপারিকে ঘিরে চলছে জমজমাট ব্যবসা। এখানকার উৎপাদিত সুপারির ৬০ ভাগ খাল-ডোবা, পুকুর ও পানিভর্তি পাকা হাউজে ভিজিয়ে রাখেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। আর ৪০ ভাগ সুপারি দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ ছাড়াও রোদে শুকিয়ে সংরক্ষণ করা হয়। উৎপাদিত সুপারি জেলার চাহিদা মিটিয়ে সরবরাহ হচ্ছে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলায়। চলতি মৌসুমের উৎপাদিত সুপারি থেকে ৩-৪ শ’ কোটি টাকার বেশি আয় হওয়ার সম্ভাবনা দেখছেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আবু হেনা মোহাম্মদ জাফর জানান, গত বছরের তুলনায় এবার সুপারির বাম্পার ফলন হয়েছে।

Disconnect