ফনেটিক ইউনিজয়
ছাত্র প্রতিনিধি নেই ২৮ বছর
মানিক রাইহান বাপ্পী, রাবি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সিনেটের দুই তৃতীয়াংশের মেয়াদ শেষ হয়েছে অনেক আগেই। তবু  মেয়াদোত্তীর্ণ এসব সদস্যপদ পূরণে আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে না বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের। মেয়াদোত্তীর্ণদের মাধ্যমেই অনুষ্ঠিত হয়েছে ২২তম সিনেট অধিবেশন।
জানা যায়, বিশ^বিদ্যালয়ের ’৭৩-এর অধ্যাদেশ এর ধারা ২০ অনুযায়ী সিনেট গঠনতন্ত্রে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটের মোট সদস্য হবে ১০৪ জন। উল্লিখিত সদস্যের মধ্যে এ বছরের ২৩ এপ্রিল নির্বাচনের মাধ্যমে ৩৩ জন শিক্ষক প্রতিনিধির পদ পূরণ করেছে বিশ^বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আর বিশ^বিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষসহ পদ পূরণ হয়েছে মোট ৩৭ টি। তবে বাকি ৬৭ সদস্যদের মধ্যে সিনেটের শিক্ষাবিদ ক্যাটাগরি থেকে আচার্য মনোনীত মোট ৫ জন সদস্যের মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০১৫ সালের ২২ জুলাই। গবেষণা সংস্থার প্রতিনিধি পদের ৫ জনেরও মেয়াদ শেষ হয়েছে একই বছরের ২১ এপ্রিল। কলেজ অধ্যক্ষ পদে শিক্ষক পরিষদ মনোনীত ৫ সদস্য ও কলেজ শিক্ষক পদের ১০ সদস্যসহ মোট ১৫ জনের মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০০৭ সালের ১৯ মে। নিবন্ধিত গ্র্যাজুয়েট প্রতিনিধি ২৫ জনের মধ্যে মারা গেছে ৭ জন। সকলেরই মেয়াদ শেষ হয়েছে ১৯৯৭ সালের ৩০ মে। এছাড়া রাকসু নির্বাচন না হওয়ায় ৫ ছাত্র প্রতিনিধি ছাড়াই সিনেট চলছে ২৮ বছর ধরে। এই হিসাবে প্রায় দুই তৃতীয়াংশ সদস্যের মেয়াদ শেষ হয়েছে।
এ বিষয়ে সিনেট সদস্য ও শিক্ষক প্রতিনিধি ড. সিদ্দিকুর রহমান জানান, নিয়ম অনুযায়ী বছরে কমপক্ষে একবার অধিবেশন করতে হবে। কিন্তু শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচনের ৭ মাস পেরিয়ে গেলেও কোন ধরনের অধিবেশন হয়নি। হয়তো বা সিনেট অপূর্ণ থাকায় অধিবেশন হচ্ছে না। এটা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ব্যাপার।  
এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম আব্দুস সোবহান সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সাম্প্রতিক দেশকালকে বলেন, যতদিন নির্বাচন না হবে ততদিন তারা থাকবেন। শুধু মাত্র অপূরণ আছে ছাত্র প্রতিনিধি। বাকি সবাই আছেন। এর কারণ হলো রাকসু নির্বাচন না হওয়া।

Disconnect